হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে বিপুল পরিমাণ ট্রেনের টিকিটসহ তিন টিকিট কালোবাজারিকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটকরা হলেন- হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের দক্ষিণ বড়চরের আব্দুল নূরের পুত্র মো. সোহেল মিয়া (৩৩), বানিয়াচংয়ের নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত জুনায়েদ মিয়ার পুত্র মো. জলিল সরদার (৪০) এবং শায়েস্তাগঞ্জের দাউদনগরের সাঈদ আলীর পুত্র এনাম মিয়া (৩৪)।
র্যাব জানায়, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন সময় অনলাইন ও অফলাইনে বিপুল পরিমাণ টিকিট সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতো। পরবর্তীতে এসব টিকিট কয়েকগুণ বেশি দামে সাধারণ যাত্রীদের কাছে বিক্রি করতো।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৭০০টিরও বেশি ট্রেন টিকিট উদ্ধার করা হয়। এসব টিকিটের মধ্যে সিলেট-ঢাকা রুটসহ দেশের বিভিন্ন রুটের পুরনো, বর্তমান ও আগাম টিকিট রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, আটক ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তারা রেলওয়ে টিকিট বিক্রিতে জালিয়াতি করে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিতে ফেলছিল।
আটককৃতদের পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শায়েস্তাগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫শ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্তদের হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
র্যাব জানিয়েছে, টিকিট কালোবাজারিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




