ছবি:সংগৃহীত
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি আসাদ বিন হাফিজ ইসলামী ভাবধারার সাহিত্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আলোচকরা। তারা বলেন, আশির দশকের অন্যতম এই কবি তাঁর লেখনীতে সমসাময়িক সমাজবাস্তবতা, মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকারের বিষয়গুলো শক্তিশালীভাবে তুলে ধরেছেন। কবিতা ও ছড়ার পাশাপাশি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর অবদান বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর সৃষ্টিশীল কর্ম ও আদর্শ আগামী প্রজন্মের সাহিত্যসাধকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস)-এর সাহিত্য আসর কক্ষে অনুষ্ঠিত ১২৭৬তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক কথাসাহিত্যিক ও ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং কবি কামাল আহমদ, এস এম ফাহিম ও আব্দুর রাজ্জাক শাওনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আসরে আলোচনায় অংশ নেন সিলেট সরকারি তিব্বিয়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কবি ডা. মাশুকুর রহমান, কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক কবি আমিনুল ইসলাম কাজল, মাসিক বিশ্ববাংলা সম্পাদক কবি মুহিত চৌধুরী, গীতিকবি রমজান আলী ও কবি শামসির হারুনুর রশীদ। পঠিত লেখার ওপর আলোচনা করেন কবি ও সাহিত্য সমালোচক মামুন সুলতান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আব্দুস শহীদ খান। পরে স্বরচিত লেখা পাঠ করেন ছয়ফুল আলম পারুল, আশরাফুল আলম, অমিত মামুন, জুবের আহমদ সার্জন, নজরুল ইসলাম, এ. বি. এম. হাসান চৌধুরী, মিলন কান্তি দাস, সাজন আহমদ সাজু, মকসুদ আহমদ লাল, লবিদ হোসেন চৌধুরী, আদীল আনোয়ার, মো. আব্দুর রব, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, সাজিদুর রহমান, সার্জন আহমদ, দিদার আহমদসহ অন্যরা।
সাংস্কৃতিক পর্বে গান পরিবেশন করেন রমজান আলী, মিলন কান্তি দাস, কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল ও মো. লিলু মিয়া। সাহিত্য আসরে সেরা লেখক হিসেবে মনোনীত হন ছয়ফুল আলম পারুল।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




