৫ বছরের আইনি যু/দ্ধের অবসান, আদা/লতের রায়ে ফিরল হারা/নো বিজয়
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ AM

৫ বছরের আইনি যু/দ্ধের অবসান, আদা/লতের রায়ে ফিরল হারা/নো বিজয়

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০/০৭/২০২৬ ০৯:১৫:১০ PM

৫ বছরের আইনি যু/দ্ধের অবসান, আদা/লতের রায়ে ফিরল হারা/নো বিজয়

ছবি:সংগৃহীত


দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বড়লেখা উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথ সুগম হয়েছে রশিদ আহমদ সোনামের। হাইকোর্ট বিভাগের সর্বশেষ রায়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খসরুজ্জামানের দায়ের করা রিট পিটিশন খারিজ হওয়ায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।

জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রশিদ আহমদ সোনাম। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মোরগ প্রতীকের প্রার্থী খসরুজ্জামান। ভোট গণনা শেষে সোনামের ৫৩টি ব্যালট অবৈধ ঘোষণা করে খসরুজ্জামানকে ৫ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

রশিদ আহমদ সোনাম অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। তাঁর পোলিং এজেন্ট আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। এমনকি ফলাফল শিটের অনুলিপিও এজেন্টকে দেওয়া হয়নি। পরে তিনি নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মৌলভীবাজারের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

মামলার শুনানি শেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দেন। পুনর্গণনায় রশিদ আহমদ সোনাম ২২ ভোটে বিজয়ী হন এবং আদালত তাঁকে নির্বাচিত ইউপি সদস্য ঘোষণা করেন।

পরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আপিল ট্রাইব্যুনালে গেলেও সেখানে ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল থাকে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২২ জুন নির্বাচন কমিশন সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করে। উপজেলা প্রশাসন শপথ গ্রহণের তারিখও নির্ধারণ করে। তবে প্রতিপক্ষ হাইকোর্টে রিট দায়ের করলে স্থগিতাদেশের কারণে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান স্থগিত হয়ে যায়।

সর্বশেষ চলতি বছরের ৯ জুলাই বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দীর্ঘ শুনানি শেষে খসরুজ্জামানের রিট পিটিশন খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রেখে পূর্বের সব স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন।

এরপর গত ২৭ জুলাই রশিদ আহমদ সোনাম বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে শপথ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন।

রশিদ আহমদ সোনাম বলেন, ‘দীর্ঘ পাঁচ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর সত্য ও ন্যায়বিচারের প্রতিফলন ঘটেছে। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’

মামলায় তাঁর পক্ষে হাইকোর্টে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী তৌফিক আনোয়ার চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ে আমার মক্কেল ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এখন নির্বাচিত ইউপি সদস্য হিসেবে তাঁর শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই।’

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

পরিবেশ রক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি পেলেন বিয়ানীবাজারের নাসির উদ্দিন
শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা জানতে রাতে আবাসিক হল পরিদর্শনে শাবিপ্রবি উপাচার্য
সিলেটের ঐতিহ্য ও পরিচয় ধরে রাখতে সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই
সিলেট জেলায় একদিনে অ/স্বাভাবিক ৪ মৃ/ত্যু
আলোকচিত্র সমাজ পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার: সিসিক প্রশাসক
বিচার ও রাষ্ট্র সংস্কার না হলে নতুন স্বৈ/রাচারের ঝুঁ/কি থাকবে: নাহিদ ইসলাম
গোলাপগঞ্জে ‘ছাত্রদলের স/ন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হা/মলা চালিয়েছে- সারজিস
সিলেটে সড়ক দু'র্ঘটনায় স্কুল শিক্ষক নি'হত
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার
এনসিপি নেতাদের আগমন ঘিরে সিলেটে সতর্ক প্রশাসন