বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭ PM

বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১/০৯/২০২৬ ১০:৪০:৩৭ PM

বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে সিলেটে আলোচনা সভা

ছবি:সংগৃহীত


বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব শান্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেস কনফারেন্স হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহসভাপতি ও ঢাকা জাতীয় সদরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্করের সভাপতিত্বে এবং বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জাতীয় সদরের সিনিয়র সহকারী মহাসচিব মনোরঞ্জন তালুকদারের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের ডিজিএম ও বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন খন্দকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমবিএফ সিলেট বিভাগের সহসভাপতি ও সিলেট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি এম. এ. হান্নান এবং মহানগরের সিনিয়র সহসভাপতি মো. মুছলেহ উদ্দিন আহমদ।

এ ছাড়া মীর্জা রেজওয়ান বেগ, শ্যামল চৌধুরী, মো. খালেদ মিয়া, মো. বেলাল উদ্দিন, আব্দুল ওয়াদুদ, মো. ইউসুফ সেলু, মোছাম্মত রুনা সুলতানা, সিরাজুল হক, আব্দুল কাইয়ুম কামালী, লুলু কামালী, হুসনা চৌধুরী ও এখলাছুর রহমান তালুকদারসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা বর্তমানে মানবজাতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। যুদ্ধ, সংঘাত ও সহিংসতা শুধু মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি করছে না, বরং উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের পথেও বাধা সৃষ্টি করছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার চর্চা বাড়াতে হবে।

বক্তারা বলেন, বৈষম্য, সহিংসতা ও ঘৃণার পরিবর্তে পারস্পরিক সহমর্মিতা, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বিশ্ব নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় বক্তারা যুবসমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, মাদক শুধু একজন তরুণের জীবন ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পরিবার ও সমাজের ওপরও পড়ে। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের প্রত্যেক সদস্যকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে।

তারা আরও বলেন, খুন, ধর্ষণ ও মাদকের মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে পরিবারকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে। পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে হবে।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ