ছবি: নিজস্ব
আজমিরীগঞ্জে সংঘর্ষ থামাতে এসে মুহাদ্দিস নামে এক জন নিহত হয়েছেন। গঠনাটি ঘটেছে ৬ মার্চ ২৫খ্র্রিঃ সময় বিকাল অনুমান ৫ ঘটিকায়।
পশ্চিমভাগ কদমতারা গ্রামের হারুন মিয়া এস্কেভেটার দিয়া মাটি কাটিয়া তৌফিক মিয়ার পুকুর পাড় দিয়া এস্কেভেটার নেওয়ার সময় তৌফিক মিয়ার পুকুরের পাড় ভাঙ্গিয়া পড়লে তৌফিক মিয়ার পরিবারের লোকজন হারুন মিয়াকে মাটি নিয়া তাদের পুকুরপাড় দিয়া যাইতে বাধা নিষেধ করে। এতে হারুন মিয়ার সাথে তৌফিক মিয়ার পরিবারের লোকজনের সাথে তর্ক বিতর্ক হয়। তৌফিক মিয়ার চাচাতো ভাই মুহাদ্দিস তালুকদার (৪৮), ঘটনাস্থলে যাইয়া উভয়ের মধ্যে তর্ক বিতর্ক থামানোর চেষ্টা করিলে আসামী কাঁচাব মিয়া রাগান্বিত হইয়া হাতে থাকা ফিকল দিয়া মুহাদ্দিস মিয়ার মাথায় ঘাই মারিলে উক্ত ঘাই মুহাদ্দিস মিয়ার মাথা ছিদ্র করিয়া ভিতরে ঢুকিয়া রক্তক্ষরণ হইতে থাকে। তখন
মুহাদ্দিস মিয়ার আত্মীয়-স্বজন মদরিছ মিয়াকে মুমূর্ষ অবস্থায় বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উক্ত ঘটনায় উভয় পক্ষের আরো ১০ জন আহত হয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন মর্মে জানা যায়। ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাএ আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এবি এম মাইদুল হাসান আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা করেন। ঘটনার পরপর সকল আসামীগন পালিয়ে যাওয়ায় তাহাদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নাই। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি এবং ঘটনা স্থলে রাত ৯ঘটিকা পর্যন্ত ছিলেন। মুহাদ্দিস পরিবারের সহিত আলোচনা করে উক্ত বিষয়ে অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।
বর্তমান থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। পুলিশি টহলসহ গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত আছে। এই বিষয় নিয়ে আজমিরীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এবি এম মাইদুল হাসান এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ আসেনি অভিযোগ আসেলেই দ্রুত ব্যাবস্থা নিব। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে
জৈন্তাবার্তা / সুলতানা




