ছবি: জৈন্তা বার্তা
হবিগঞ্জে কোনো ধরনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে চলছে অনেকগুলো ইটভাটাগুলো। প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ ইটভাটাগুলো। আর এতে করে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কোনো প্রকার আইন মানছেন না ইটভাটার মালিকরা। তারা যে যেখানে পারছেন, সেখানেই ইটভাটা গড়ে তুলছেন। কৃষিজমি থেকে শুরু করে বসতভিটা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব জায়গায় গড়ে তোলা হচ্ছে ইটভাটা। এর ফলে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, এখনই যদি ইটভাটাগুলো নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে আগামীতে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যাপক হুমকির মুখে পড়বে। এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমিরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হবিগঞ্জে মোট ৯০টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র একটি ইটভাটার রয়েছে বৈধ কাগজপত্র। বাকি ইটভাটাগুলোর নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। দিনের পর দিন অবৈধভাবে চলছে ভাটাগুলো। যদিও জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর মাঝে-মধ্যে অভিযান চালিয়ে গুটিকয়েক ভাটার মালিককে জরিমানার আওতায় এনেছে। তবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করার কারণে পরিবেশের ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে। হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রশাসনকে আরও কঠোরভাবে অভিযান চালানোসহ তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
হবিগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক হরিপদ চন্দ্র দাস বলেন, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে বেশ কয়েকটি ভাটায় অভিযান চালানো হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




