হবিগঞ্জের মাধবপুরে পিকআপের ইঞ্জিনের ওপর বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৭ হাজার ৮০০ পিস ই'য়াবাসহ মো. কাদের মিয়া (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৯। এ সময় ই'য়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপটি জব্দ করা হয়।
এসআরবি-৯ সূত্রে জানা যায়, রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মাধবপুর পৌরসভার প্রাইম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে অবস্থান করছিল এসআরবি-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, সিলেট থেকে একটি পিকআপে করে মাদকদ্রব্য নিয়ে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের দিকে যাওয়া হচ্ছে।
পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে মাধবপুর পৌরসভা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের একটি টাওয়ারের বিপরীতে সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় নেভি ব্লু ও হলুদ রঙের একটি পিকআপকে থামার সংকেত দেওয়া হলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করা হয়।
এসআরবি-৯ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি তাঁর কাছে ই'য়াবা থাকার কথা জানান। পরে তাঁর দেখানো মতে পিকআপের ইঞ্জিনের ওপর জিআই তার দিয়ে বিশেষ কৌশলে বাঁধা কালো পলিথিনের ভেতর থেকে ৩৯টি কালো রঙের বায়ুরোধক পলি জিপারে রাখা ৭ হাজার ৮০০ পিস ই'য়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত কাদের মিয়া জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাদেশশরিয়া বাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে।
এসআরবি-৯-এর দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ই'য়াবা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রাখার কথা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মা'দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মা'দকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




