আজমিরীগঞ্জে ব্যস্ততা বেড়েছে মৃৎশিল্পীদের
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

আজমিরীগঞ্জে ব্যস্ততা বেড়েছে মৃৎশিল্পীদের

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩/১২/২০২৪ ১১:৩০:১৪ পূর্বাহ্ন

আজমিরীগঞ্জে ব্যস্ততা বেড়েছে মৃৎশিল্পীদের

ছবি: নিজস্ব


মাটির তৈজসপত্র তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগরা। জরাজীর্ণ আবাসগুলোতে কেউ মাটি ঘুটছেন, কেউ সেই মাটি ছাঁচে দিয়ে তৈজসপত্র তৈরি করছেন। কেউ বা খেলনা শুকানোর পর রঙ-তুলির আঁচড় দিচ্ছেন। পুরুষের পাশাপাশি নারী কারিগররাও কাজে ব্যস্ত। এমন চিত্র দেখা গেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার নগর গ্রামের কুমার পাড়ায়। 

আসন্ন পৌষ সংক্রান্তির মেলা আর বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষের আগমনকে কেন্দ্র করে আজমিরীগঞ্জের কুমারপাড়ায় এখন ব্যাপক ব্যস্ততা। সারা বছর মৃৎশিল্পীদের তেমন কদর না থাকলেও পৌষ সংক্রান্তির মেলা সামনে রেখে তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। 

মৃৎশিল্পীরা বলছেন, পৌষ সংক্রান্তি ও নববর্ষে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মেলা বসে। সারা বছর মাটির তৈজস বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ না করলেও মেলার কারণে বাহারি সব খেলনা তৈরি করেন তারা। যদিও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তাদের মধ্যে অনেকে এই পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, মাটির তৈজসপত্রের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের খেলনা তৈরি করছেন মৃৎশিল্পীরা। মাটির পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ষাঁড়, নৌকা, টিয়া, সিংহ, দোয়েল, কচ্ছপ, মাছ, হাঁসসহ নানারকম ফল, ফুল আর বাহারি মাটির ব্যাংক, প্লেট, মগ, গ্লাস, চায়ের কাপ, পিঠা তৈরির ছাঁচ তৈরি হচ্ছে সমানতালে। বিভিন্ন মেলায় এসব জিনিস বিক্রি করা হবে। 

শিল্পযোদ্ধারা বলছেন, হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অনবদ্য রূপ মৃৎশিল্প। এর সঙ্গে একদিকে জড়িয়ে আছে জীবনের প্রয়োজন, অন্যদিকে নান্দনিকতা ও চিত্রকলার বহিঃপ্রকাশ। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নিয়ে পেশাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা